Wednesday, 27 April 2022

ভেক্টর HSC । vector । Powerplay program HSC - 2022

 

ভেক্টর রাশি


Bondi-pathsala

paid class





রাশি কী?

এই মহাবিশ্বে যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকেই রাশি বলে। উদাহারণস্বরূপ, আপনি এখন যে ডিভাইস ব্যবহার করে এই লেখাটি পড়ছেন সেই ডিভাইসের ভর আছে, দৈর্ঘ্য আছে, প্রস্থ আছে। তাই ভর, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এরা প্রত্যেকেই রাশি। আবার কতক্ষণ যাবৎ পড়ছেন তাই পরিমাপ করা যায়। তাই সময়ও একটি রাশি। এমনভাবে বেগ, ত্বরণ, সরন, ওজন সবকিছুই রাশি




ভৌত রাশি কাকে বলে? 

পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত যেকোনো রাশিকেই ভৌত রাশি বা Physical Quantity বলা হয়। উল্লখ্য, রাশির ইংরেজি শব্দ quantity।




পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্গত সকল রাশিকে অর্থাৎ ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের ভিত্তিতে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা –


স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scaler Quantity)

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity)



নাম দেখেই বুঝা যাচ্ছে যে, একটি রাশির সাথে দিক সম্পর্কিত, অন্যটির সাথে দিকের সম্পর্ক নেই। তাহলে এদের সংজ্ঞাগুলো আলাদা আলাদাভাবে দেখে নেয়া যাক। তাতেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে আশা করি।




স্কেলার রাশি কাকে বলে ?

যেসব ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে শুধু মানই যথেষ্ট, দিকের প্রয়োজন নেই, সেসব রাশিকেই বলা হয় স্কেলার রাশি। যেমন ভর, সম, তাপমাত্রা, দৈর্ঘ্য, দ্রুতি ইত্যাদি। বৈদ্যুতিক বিভবও স্কেলার রাশি। বৈদ্যুতিক বিভব কেন স্কেলার রাশি তা আমরা একটু পরে জানব। 




ভেক্টর রাশি কাকে বলে ? 

যেসব ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় সেসব রাশিই ভেক্টর রাশি। যেমন ওজন, বল, ত্বরণ, মন্দন, সরণ, বেগ ইত্যাদি সবই ভেক্টর রাশির উদাহারণ।




বৈদ্যুতিক বিভব স্কেলার নাকি ভেক্টর?

বৈদ্যুতিক বিভব একটি স্কেলার রাশি। প্রচলিত অর্থে এর দিক আছে মনে হলেও আসলে এর নির্দিষ্ট কোনো দিক নেই। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, উপর, নিচ এমন কোনো দিক নেই। আবার উচ্চ বিভব-নিম্ম বিভব অঞ্চলকে হিসেবে আনলেও আসলে একটি নির্দিষ্ট দিক হচ্ছে না। ধনাত্মক চার্জ এবং ঋণাত্মক চার্জ উভয়ই দিক পরিবর্তন করছে বলেই বৈদ্যুতিক বিভবের সৃষ্টি হচ্ছে। 




ভেক্টর রাশির ধর্ম


1. ভেক্টর রাশির মান এবং দিক দুটিই আছে। এই জন্যই তারা ভেক্টর রাশি।

2. একের অধিক সমজাতীয় ভেক্টরকে যোগ করা যায়, ভিন্ন জাতের দুটি ভেক্টরকে যোগ করা যায় না।


 সমজাতীয় ভেক্টর বলতে কি বুঝানো হয়েছে তা নিচে আলোচনা করা হয়েছে। 


দুটি ভেক্টরকে যোগ করলে যে ভেক্টর পাওয়া যায়, তাই ওই দুই ভেক্টরের সম্মিলিত ক্রিয়ারই ফল। একে লব্ধি ভেক্টর বলে।


 

দুটি ভেক্টরের ভেক্টর গুণফল বা ক্রস গুণফল একটি ভেক্টর রাশি এবং স্কেলার গুণফল বা ডট গুণফল একটি স্কেলার রাশি।


ভেক্টর রাশি সংযোগ ও বন্টন সূত্র মেনে চলে। 


এ দুটি সূত্র নিয়েও নিচে আলোচনা করা হয়েছে। 



ভেক্টর রাশিকে উপাংশে ভাগ করা যায়। 



সমজাতীয় ভেক্টর বলতে কি বুঝায় ?


সংজ্ঞা তো আমরা জানি বা জেনে নিতে পারবো। কিন্তু সংজ্ঞা থেকে আমরা আসলে পুরোপুরি হয়তো বুঝতে পারি না। ভেক্টর যোগের সময় মনে রাখবেন, দুটি সমজাতীয় ভেক্টরেরই কেবল যোগ করা যায়। এখন এই সমজাতীয় ভেক্টর কি? দুটি ত্বরণের ভেক্টর সমজাতীয় ভেক্টর, দুটি বেগের ভেক্টর সমজাতীয় ভেক্টর। তাই দুটি ত্বরণের ভেক্টরের যোগ করা যাবে, দুটি বেগের ভেক্টরেরও যোগ করা যাবে। কিন্তু একটি ত্বরণের এবং একটি বেগের ভেক্টরের যোগ করা যাবে না। কারণ তারা ভিন্ন জাতীয় ভেক্টর। 




সংযোগ সূত্র ও বন্টন সূত্র



সংযোগ সূত্র: A + (B+C) = (A + B) +C

বন্টন সূত্র: mA + mB = m(A+B)


বিভিন্ন প্রকারের ভেক্টর

একক ভেক্টর কাকে বলে ?


যে সকল ভেক্টরের মান শূন্য নয় এরূপ কোনো ভেক্টরকে ওই ভেক্টরের মান দ্বারা ভাগ করলে যে ভেক্টর পাওয়া যায় তাকে একক বলে। অর্থাৎ, যে ভেক্টরের মান এক একক তাকে একক ভেক্টর বলে। আবার কোনো ভেক্টরের মানকে ওই ভেক্টরের একক ভেক্টর দ্বারা গুণ করলে ওই ভেক্টরটি পাওয়া যায়।


শূন্য ভেক্টর বা নাল ভেক্টর কাকে বলে ?



যে ভেক্টরের মান শূন্য, তাকে শূন্য ভেক্টর বলা হয়। শূন্য ভেক্টরের নির্দিষ্ট দিক থাকে না। একসাথে বলতে গেলে, যে ভেক্টরের মান শূন্য এবং যার নির্দিষ্ট কোনো দিক থাকে না, তাকে নাল ভেক্টর বা শূন্য ভেক্টর বলা হয়। দুটি সমান এবং বিপরীতমুখী ভেক্টর একই বিন্দুতে একই সাথে ক্রিয়া করলে তাদের লব্ধি একটি নাল ভেক্টর। নাল ভেক্টরের কেন কোনো দিক থাকে না তা আমরা নিচে আলোচনা করেছি।



অবস্থান ভেক্টর কাকে বলে ?



প্রসঙ্গ কাঠামাের মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে নির্ণয় বা নির্দেশ করা হয় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।


ব্যাসার্ধ ভেক্টর কাকে বলে ? 



মূল বিন্দু থেকে কোনো বস্তুর অবস্থানের দূরত্বকে ব্যাসার্ধ ভেক্টর বলে। অনেক সময় অবস্থান ভেক্টরকেই ব্যাসার্ধ ভেক্টর বলা হয়।


সরণ ভেক্টর কাকে বলে ?



সরল পথে বা নির্দিষ্ট দিকে কোনো বিন্দুর অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ ভেক্টর বলে। 


বিপ্রতীপ ভেক্টর কাকে বলে ?



দুটি সমান্তরাল ভেক্টরের একটির মান অপরটির বিপ্রতীপ (5 এর বিপ্রতীপ হলো 1/5) হলে তাদেরকে বিপ্রতীপ ভেক্টর বলে।


সদৃশ ভেক্টর কাকে বলে ?



সমজাতীয় অসম মানের দুটি ভেক্টর যদি একই দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে সদৃশ ভেক্টর বলা হয়।


সমরেখ ভেক্টর কাকে বলে ?


দুই বা ততোধিক ভেক্টর যদি একই সরলরেখা বরাবর বা পরস্পর সমান্তরালে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে সমরেখ ভেক্টর বলে।


সমতলীয় ভেক্টর কাকে বলে ?

একাধিক ভেক্টর একই তলে অবস্থান করলে তাদেরকে সমতলীয় ভেক্টর বলে।


বিপরীত ভেক্টর কাকে বলে? বা ঋণ বা ঋণাত্মক ভেক্টর কাকে বলে?



বিপরীত দিকে ক্রিয়ারত দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান সমান হলে তাদেরকে একে অপরের বিপরীত বা ঋণ বা ঋণাত্মক ভেক্টর বলে। অন্যভাবে বলতে গেলে, নির্দিষ্ট দিক বরাবর কোনো ভেক্টরকে ধনাত্মক ধরলে তার বিপরীত দিকে সমমানের এবং সমজাতীয় ভেক্টরকে বিপরীত ভেক্টর বলে।


লব্ধি ভেক্টর কাকে বলে ?



একাধিক ভেক্টরের সমন্বয়ে যে নতুন ভেক্টর পাওয়া যায় তাকেই লব্ধি ভেক্টর বলে।


সমভেক্টর কাকে বলে ?



দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান ও দিক একই হলে তাদেরকে সমভেক্টর বলা হয়। 


তল ভেক্টর কাকে বলে ?


যেকোনো তলের উপর অংকিত অভিলম্ব বরাবর একটি ভেক্টর যার মান তলটির ক্ষেত্রফলের সমান, তাকে ওই তলের তল ভেক্টর বলে। 


এবার কিছু অনুধাবন মূলক প্রশ্নের উত্তর করা যাক।


নাল ভেক্টরের সুনির্দিষ্ট দিক নেই কেন ? (রাজশাহী বোর্ড, ২০১৫)



যখন কোনো ভেক্টরের আদি বিন্দু এবং শেষ বিন্দু একই স্থানে হয়, তখন তা একটি বিন্দুতেই পরিণত হয়, রেখাতে নয়। বিন্দুর কোনো দিক নির্ণয় করা সম্ভব নয়। তাই নাল ভেক্টরের সুনির্দিষ্ট কোনো দিক নেই। 


স্বাধীন ভেক্টরের পাদবিন্দু মূল বিন্দুতে নয় কেন ? (সিলেট বোর্ড, ২০১৫)



স্বাধীন ভেক্টরের পাদবিন্দু কোথায় হবে তা ইচ্ছেমতো ঠিক করা যায়। যেহেতু পাদবিন্দু কোথায় হবে তা নির্দিষ্ট না, তাই মূল বিন্দুও নির্দিষ্ট না। একারণেই স্বাধীন ভেক্টরের পাদবিন্দু মূল বিন্দুতে নয়।


ভেক্টরের মান কখন ঋণাত্মক হয় ও কেন- ব্যাখ্যা কর। (দিনাজপুর বোর্ড, ২০১৫)




প্রশ্নটি হয়তো ভুল নয়তো ট্যাকটিক্যাল। আদতে ভেক্টর ঋণাত্মক হতে পারে কিন্তু ভেক্টরের মান কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না। কারণ ভেক্টরের মান বলতে আমরা বুঝিই পরম মানকে। পরম মান ঋণাত্মক হয় না বিধায় ভেক্টরের মান ঋণাত্মক হয় না। তবে ভেক্টর ঋণাত্মক হতে পারে যা উপরে সংজ্ঞা থেকে পড়ে নিলেই হবে। 


Labels:

টিস্যু কালচার । Tissu culture




উদ্ভিদের যে কোন বিভাজনক্ষম কোষ থেকে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত অবস্থায় উপযুক্ত পুষ্টি মাধ্যমে বর্ধিতকরণ করাকে টিস্যু কালচার বলে।

গবেষণাগারে কোন টিস্যু পুষ্টি মাধ্যমে কালচার করাই হলো টিস্যু কালচার।

একটি উদ্ভিদের ক্ষুদ্র কোষ থেকে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ পরিণত হওয়ার ক্ষমতাকে টটিপোটেন্সি বলে।
ক্ষুদ্র অংশ ব্যবহারের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ তৈরি করা হয় এজন্য একে মাইক্রোপ্রোপাগেশন বলে। আবার এ প্রক্রিয়ায় কোন উদ্ভিদের সম গুন সম্পন্ন প্রজন্ম বা ক্লোন তৈরি করা হয় ফলে একে ক্লোনিং প্রযুক্তি ও বলা হয়।

জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী Gottlieb Haberlandt কে টিস্যু কালচার এর জনক বলা হয়।

টিস্যুকালচারের গবেষণাগার : একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টিস্যুকালচারের তিনটি কক্ষ থাকবে।

১.সাধারণ কক্ষ

২.ইনোকুলেশন চেম্বার

৩.কালচার চেম্বার

★ টিস্যু কালচার এর প্রকারভেদ :

কক্ষমুকুল কালচার, মেরিস্টেম কালচার, মাইক্রোপ্রোপাগেশন,মেরিস্টোম কালচার, ক্যালাস কালচার,পরাগধানী কালচার, প্রোটোপ্লাস্ট কালচার।

★ টিস্যু কালচারের ধাপসমূহ :


১. মাতৃউদ্ভিদ বা এক্সপ্লান্ট নির্বাচন :

টিস্যুকালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদের যে অংশ আলাদা করে নেওয়া হয় তাকে এক্সপ্লান্ট বলা হয়। সাধারণত কান্ডের শীর্ষ, শীর্ষ মুকুল ,কক্ষ মুকুল, কচি পাতা, কান্ড এক্সপ্লান্ট হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।


২. কালচার মিডিয়াম বা আবাদ মাধ্যমে তৈরি :

উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য যে রাসায়নিক উপাদান প্রয়োজন হয় তার সমন্বয়ে আবাদ মাধ্যমে তৈরি করা হয়। বিভিন্ন ধরনের মুখ্য ও গৌণ পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, সুক্রোজ, ফাইটোহরমোন থাকে। মৌলিক উপাদান সমৃদ্ধ আমাদ মাধ্যমকে ব্যাসাল মিডিয়াম বলে। মিডিয়ামের pH 5.5 থেকে 5.8 এর মধ্যে রাখা হয়।

৩. এক্সপ্লান্ট জীবাণুমুক্তকরণ বা নির্বীজকরণ :

মিডিয়ামকে অটোক্লেভ যন্ত্রে ১২১ তাপ ১৫ পাউন্ড চাপে ২০ মিনিট রাখা হয়। যার ফলে এক্সপ্লান্ট জীবানুমুক্ত হয়।

৪. মিডিয়ামে টিস্যু স্থাপন:

মিডিয়ামে এক্সপ্লান্ট জীবাণুমুক্ত করে কাচ পাত্রে রাখা মিডিয়ামে স্থাপন করতে হয়।

৫. ক্যালাস সৃষ্টি ও সংখ্যা বৃদ্ধি :

মিডিয়ামে টিস্যু স্থাপনের পর পাত্রটিকে একটি বৈদ্যুতিক আলো, তাপমাত্রা (১৭-২০ C) ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা(70-75%) নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখা হয়।
ফলে টিস্যুতে বারবার বিভাজিত হয়ে একটি কোষীয় মন্ডে পরিণত হয়। মন্ড হলো আয়বহীন টিস্যু গুচ্ছ এভাবে ক্যালাস থেকে অসংখ্য মুকুল সৃষ্টি হয়।

৬. মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর ও চারা উৎপাদন :

মুকুলকে সাবধানে কেটে নিয়ে মূল উৎপাদনকারী মিডিয়ামে রাখা হয় এবং সেখানে প্রতিটি মুকুল,মুল সৃষ্টি করে পূর্ণাঙ্গ চারা গাছে পরিণত হয়।

৭. টবে স্থানান্তর :

উপযুক্ত মুল সৃষ্টি হলে পূর্ণাঙ্গ চারাগাছ কালচার করা পাত্র থেকে সরিয়ে নিয়ে টবে স্থানান্তর করা হয়।

৮. প্রাকৃতিক পরিবেশ তথা মাঠ পর্যায়ে স্থানান্তর :
টবে চারা গাছ গুলো সতেজ হয়ে ওঠে উঠলে সেগুলিকে একপর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটিতে রোপন করা হয়।

Labels:

Tuesday, 26 April 2022

কোয়ান্টাম টানেলিং । Quantum tanling

 

কোয়ান্টাম টানেলিং



কোয়ান্টাম টানেলিং কোয়ান্টাম মেকানিকসের অনেকগুলো অদ্ভুত ঘটনার মধ্যে অন্যতম। আধুনিক বিশ্বে এটা ছাড়া ইলেকট্রনিকস যেন কল্পনাই করা যায় না। তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বলকে যদি কোনো দেয়ালের দিকে ছুড়ে মারা হয় তাহলে সাধারণভাবে আমরা দেখব যে বলটা দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে আবার ফিরে এসেছে। অর্থাৎ বলটার মাঝে দেয়াল ভেদ করার মতো শক্তি নেই বলে এটা ফিরে আসে। কিন্তু একই ব্যাপার যদি ইলেকট্রন দিয়ে করা হয়, তবে ব্যাপারটা অন্য রকম হবে। ইলেকট্রনের দেয়াল ভেদ করার মতো যথেষ্ট শক্তি না থাকলেও কোয়ান্টাম মেকানিকস বলে যে তার দেয়াল ভেদ করার সামান্য হলেও একটা সম্ভাবনা থাকে। ফলে অনেকগুলো ইলেকট্রন দেয়ালের দিকে পাঠালে কিছু ইলেকট্রন দেয়াল ভেদ করে অন্য পাশে চলে যাবে। এটাই সহজ কথায় কোয়ান্টাম টানেলিং।



ইতিহাস : 


তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে প্রথম কোয়ান্টাম টানেলিং এর ধারণা পাওয়া যায়। তেজস্ক্রিয়তা ১৮৯৬ সালে হেনরি বেকেরেল এর দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল।  মারি ক্যুরি ও পিয়ের ক্যুরি তেজস্ক্রিয়তাকে নিয়ে আরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং এর জন্য তারা ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। আরনেস্ট রাদারফোর্ড এবং এগন শোয়েইডলার এর প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করেন, পরবর্তীতে ফ্রেডরিক কোলরাশ যার সত্যতাকে পরীক্ষার সাহায্যে প্রতিপাদিত করেন। অর্ধায়ু এবং ক্ষয় এর ভবিষ্যদ্বাণী এর ধারণা তার কাজ থেকেই পাওয়া যায়।



১৯০১ সালে রবার্ট ফ্রান্সিস এয়ারহার্ট, মাইকেলসন ইন্টারফেরোমিটার ব্যবহার করে অল্পদূরত্বে থাকা ইলেকট্রোডসমূহের মধ্যবর্তী গ্যাস এর তরিৎ পরিবাহিতা নিয়ে গবেষণা করার সময় একটি পরিবাহিতার একটি অপ্রত্যাশিত জগৎ আবিষ্কার করেন। জে. জে. থমসন মন্তব্য করেন, এটা নিয়ে আরও গবেষণার দরকার। এরপর ১৯১৪ সালে স্নাতক ছাত্র ফ্রাঞ্জ রোথার একটি সংবেদী প্লাটফর্ম গ্যালভানোমিটার দিয়ে এয়ারহার্ট এর পদ্ধটিটি ইলেকট্রোড সেপারেশন নিয়ন্ত্রণ ও পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করেন, এবং তার সাহায্যে সরাসরি স্থিরক্ষেত্র নির্গমন বিদ্যুৎ পরিমাপ করেন। ১৯২৬ সালে রোথার, 26 pA সংবেদনশীলতার একটি নতুন প্লাটফর্ম গ্যালভানোমিটার ব্যবহার করে একটি "শক্ত" শূন্যস্থানে কাছাকাছি দূরত্বের ইলেক্ট্রোডের মধ্যে ক্ষেত্র নির্গমন বিদ্যুৎ এর পরিমাপ করেন।



ফ্রেডরিক হুন্ড প্রথম ১৯২৭ সালে কোয়ান্টাম টানেলিং লক্ষ্য করেন, যখন তিনি দ্বি-কূপ বিভব এর ভিত্তি দশা গণনা করছিলেন। এবং স্বাধীনভাবে একই বছরে লিওনিড ম্যান্ডেলস্টাম এবং মিখাইল লিওনটোভিচ একটি সীমিত স্থানের আবদ্ধ বিভবে একটি কণার গতির জন্য সেইসময় নতুন আবিষ্কৃত শ্রোডিঙ্গারের তরঙ্গ সমীকরণের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে গিয়ে কোয়ান্টাম টানেলিং আবিষ্কার করেন। এর প্রথম প্রয়োগ ছিল আলফা ক্ষয় এর একটি গাণিতিক ব্যাখ্যা, যা ১৯২৮ সালে জর্জ গ্যামোর কাজ ছিল। তিনি মান্ডেলস্টাম এবং লিওন্টোভিচ এর আবিষ্কার সম্পর্কে জানতেন। আবার স্বাধীনভাবে রোনাল্ড গারনি এবং এডওয়ারড কনডনও এই প্রয়োগটি আবিষ্কার করেন। এই দুই গবেষক একইসাথে একটি আদর্শ নিউক্লীয় বিভব এর জন্য শ্রোডিঙ্গারের সমীকরণের সমাধান করেন এবং কণার অর্ধায়ু এবং নির্গমনের শক্তির মধ্যে সম্পর্ক প্রতিপাদন করেন যা প্রত্যক্ষভাবে টানেলিং এর গাণিতিক বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল।


গ্যামো এর একটি আলোচনাসভায় উপস্থিত হবার পর ম্যাক্স বর্ন টানেলিং এর সাধরনতাকে বুঝতে পারেন। তিনি অনুধাবন করেন যে এটি কেবল নিউক্লীয় পদার্থবিদ্যাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কোয়ান্টাম বলবিদ্যার একটি সাধারণ ফলাফল যা বিভিন্ন ব্যবস্থাতেই প্রয়োগযোগ্য।এর খুব কম সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রীণে কণার টানেলিং এর পরিস্থিতি নিয়ে বিবেচনা করা হয়। অর্ধপরিবাহী নিয়ে গবেষণা এবং ট্রানজিস্টর ও ডায়োড এর আবিষ্কারের ফলে ১৯৫৭ সালে ইলেকট্রনের টানেলিং স্বীকৃত হয়। লিও এসাকি, ইভার ইয়্যাভার এবং ব্রায়ান জোসেফসন অতিপরিবাহী কুপার যুগলের টানেলিং এর ভবিষ্যদ্বাণী করেন, যার জন্য তারা ১৯৭৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। ২০১৬ সালে জলের কোয়ান্টাম টানেলিং আবিষ্কৃত হয়।

Labels:

Thursday, 21 April 2022

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ । Advice for admission candidate






জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে অন্যতম একটি হলো এইচ.এস.সি.পরীক্ষার পরের ভর্তি পরীক্ষা। এই পরীক্ষার পরই চলে আসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যে সময়ে তোমার নেয়া একটিমাত্র সিদ্ধান্ত তোমার পুরো জীবনের দৃশ্যপটটাই বদলে দিতে পারে। আমরা ছোটবেলা থেকেই অবচেতন মনে নিজেদের নিয়ে কিছু স্বপ্ন লালন করি আর অপেক্ষা করতে থাকি কখন সেই সময় আসবে যখন সে অবাস্তব স্বপ্নটা বাস্তবে রূপান্তর হতে দেখতে পাবো।

একটা সময় সবগুলো ধাপ পেরিয়ে আমরা একদম দোরগোড়ায় এসে পৌঁছে যাই। কিন্তু এই সময়ে একটা ভুল সিদ্ধান্ত আমাদের জীবনটাকে হতাশার বিশাল মহাসমুদ্রে ফেলে দিতে পারে!

ভর্তি পরীক্ষার আগের এই সময়টাতে তাই সবাই একটু না একটু দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যায়- এখন কী করবো, কী করা উচিত কিংবা কী করলে ভালো হয় এই প্রশ্নগুলো নিয়ে। এইচ.এস.সি.পরীক্ষার পরে এই প্রশ্নগুলোয় নিজেদের জর্জরিত করতে করতে অনেকেরই মূল্যবান সময়ের বেশির ভাগই অপচয় হয়ে যায়। আজকের লেখাটি তাদের জন্যেই।






১। নিজের ইচ্ছা আর পরিবারের ইচ্ছার মধ্যে মতবিরোধ :

বর্তমানের একটি সাধারণ চিত্র এটি। ছোটবেলা থেকে আমরা নিজেদের মধ্যে কিছু স্বপ্ন লালন করি। কিন্তু আমাদের পরিবার তথা বাবা-মা তাঁরাও আমাদের নিয়ে কিছু স্বপ্ন লালন করে। মাঝেমাঝে পরিবারের স্বপ্ন আর আমাদের স্বপ্ন একই সুতোর গাঁথুনি হয়ে উঠে না। হয়তো ছেলে মেরিনে পড়তে চায়, পরিবার চায় সন্তান ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুক। কিংবা মেয়েটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চায়, পরিবার চায় ডাক্তার হোক।

এমন পরিস্থিতিতে একজন পরীক্ষার্থীর কী করা উচিত? পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে আমরা কিছু করতে পারি না। এই ধরনের পরিস্থিতে তোমার কাছে দুটি অপশন থাকে-তোমার পরিবার তোমাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখে সে বিষয়ে নিজের আগ্রহ আর ভালোলাগা তৈরী করো আর নাহয় মা-বাবাকে তোমার অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব তোমার ভালোলাগার জায়গাটা কী সেটা বোঝানোর চেষ্টা করো।

তোমার মনের মধ্যে নিজেকে নিয়ে কী স্বপ্ন লালন করছো তা বুঝিয়ে বলো আর সে পথে ধরেই এগোও। তারা অবশ্যই বুঝবে। বাবা-মায়ের দিকে তাকিয়ে জীবন নিয়ে সমঝোতা করে খুব বেশি দূর আগানো যায় না। মনে রাখবে, তারা তোমাকে কেন বোঝে না তুমি যেমন এই যুক্তি দিতে পারও, তেমনি তুমি নিজে বোঝাতে পারছোনা ঠিকভাবে তাই তারা বুঝছেনা এটাও কিন্তু আবার বলা যায়। বুঝে নেয়ার পাশাপাশি বোঝানাটাও কিন্তু অনেক বড় একটা ব্যাপার। সেই বোঝানো টা বোঝাতে হয় মমতার ভাষায়, ভালোবাসার মধ্য দিয়ে, কখনোই কঠিনভাবে কিংবা ঝগড়া-বিবাদের মধ্য দিয়ে নয়। মনে রেখো, তারা গ্রেটেস্ট হলেও তুমি কিন্তু লেটেস্ট। তাই, মতের অমিল হলে বুদ্ধিমত্তার সাথে ডিল করতে পারাটাও কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ তোমার গোটা জীবনের জন্য।




২। কোথায় পড়লে ভালো হয় ?

ভর্তি পরীক্ষার আগে স্টুডেন্টদের করা সব থেকে কমন প্রশ্ন- কোন কোচিংয়ে পড়লে ভালো হয়? আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার সাথে কোচিং সেন্টারের খুব বেশি একটা সংযোগ নেই। কোচিং সেন্টার আমাদের পড়ার ক্ষেত্রে শুধু দিক নির্দেশনা দিতে পারে কিন্তু চান্স পাওয়ার জন্য পড়াশোনা তোমার নিজেরই করতে হবে।

কোচিংয়ে পড়া এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক না। এমনকি কোনো কোচিংয়ে না পড়েও চান্স পাওয়া সম্ভব। আমি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার জন্য কোনো কোচিং সেন্টারে পড়ি নি। তবে সেক্ষেত্রে পড়ার প্রতি তোমার আন্তরিকতা থাকতে হবে। যা পড়ছো তা যেন ফলপ্রসূ হয়। মনে রাখবে ভর্তি পরীক্ষায় সব সময়, ‘Quality demands, not quantity’ .

৩। মনকে প্রাধান্য দেবো নাকি বিবেককে ?

জীবনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় খুব দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যাই! যেমন ধরো, তুমি বুয়েট কিংবা মেডিকেলের প্রস্তুতি নিলে, কিন্তু রেজাল্ট দেয়ার পর দেখলে তোমার হলো না। তুমি ভাবছো তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগরসহ আরো বেশ কিছু সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্ম তুলে রাখো। মনের জোরে পরীক্ষাগুলো না হয় দিয়েই দাও! বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখে যে কয়দিন থাকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করো। হতে পারে প্রথমবার ব্যর্থ হওয়া এই তুমিই পরের পরীক্ষাগুলোর সব ক’টায় টিকে গেলে!

কিংবা ধরো, একসাথে একের অধিক জায়গায় চান্স পেলে তুমি। তুমি যেকোনো একটা জায়গাতেই শুধু হতে ভর্তি হতে পারবে। কারণ, একসাথে একাধিক জায়গায় পড়ার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে কী হবে তোমার সিদ্ধান্ত? তোমার ইন্টারেস্টের জায়গাটা খুঁজে বের করো, কী নিয়ে তোমার পড়তে ভালো লাগে। কারণ চার/পাঁচ বছর তোমার সেই বিষয়টা নিয়েই পড়তে হবে। ভালো লাগা না থাকলে সাফল্যের মুখ দেখাটা আসলে কষ্টসাধ্য ব্যাপার!

“Trust your instincts and make judgments on what your heart tells you. The heart will not betray you.”

― David Gemmell






৪। ঝুঁকি নেয়ার সাহসিকতা :

যদি এর আগে কোনো প্রকার ঝুঁকি নেয়ার অভিজ্ঞতা না থাকে, তবে জীবনের এই পর্যায়ে এসে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে একটা ঝুঁকি নাহয় নিয়েই ফেলো। তুমি খুবই দ্বিধায় ভুগছো কোন জায়গার প্রিপারেশন নিবে,ভার্সিটির নাকি মেডিকেলের। এবার ভালোলাগার গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলো!

পাওলো কোয়েলহো এর লেখা বিশ্ববিখ্যাত ‘দ্যা আলকেমিস্ট’ বইটিতে প্রধান চরিত্র সান্তিয়াগোও কিন্তু ঝুঁকি নিয়েই পিরামিডের মধ্যে থাকা গুপ্তধনের খোঁজে বের হয়েছিল। আর পথিমধ্যে অর্জিত অভিজ্ঞতাগুলোই তার বাকি জীবনের পাথেয় রূপে কাজ করেছিল। পৃথিবীতে অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত যুগান্তকারী যা কিছু হয়েছে সেসবই কিন্তু সঠিক সময়ে নেয়া সঠিক কিছু সিদ্ধান্তের ফলাফল।

“Take risks. If you win, you will be happy; If you lose, you will be wise.”

৫। ভয়কে করো জয় !


Michelle Obama লন্ডনের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেয়ার সময় বলেছিলেন,

“You can’t make decisions based on fear and the possibility of what might happen. You have to remind yourself that you have to do it.”

সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় মনে ভয় আর সংশয় রেখো না। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার সময় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে দাও, পরীক্ষার পরে যাতে তোমার নিজেকে নিয়ে কোনো আফসোস না থাকে। তোমার যাতে এমন মনে না হয়, হয়তো আরেকটু ভালোভাবে পড়লে চান্সটা পেয়ে যেতে তুমি! তাই প্রস্তুতি নেয়ার জন্য যে কয়দিনই পাও না কেন, চেষ্টায় গাফিলতি রেখো না। অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আর তোমার আন্তরিক প্রচেষ্টায় যথাসময়ে তুমি নিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।





মূল বই না পড়ে দিন-রাত ফেইসবুকে পড়ে থাকলে আর চ্যাটিং করলে কেবল ফেইসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট দীর্ঘ হতে পারে; চান্স নয়। চান্স পেতে হলে পরিশ্রম করতে হয় , নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয় । তারপর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলেই চান্স পাওয়া সম্ভব। 


বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাকে একটি যুদ্ধক্ষেত্র বলা যায় । ১৩ লক্ষ পরীক্ষা দিবে ৪৮ হাজার চান্স পাবে মাত্র । সো বুঝতেই পারতেছে নিজেকে কিভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। 

কেবল সাময়িক আনন্দের মোহের জীবনটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছো না তো? একদিন রাতে দরজা-জানালা বন্ধ বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে একাকী নিজেকে নিয়ে ভাবুন। তুমি আসলে কী হতে চাও? জীবনে আসলে কী পেতে চাও ? নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জীবনে কিছু করতে না পারলে বাকি জীবনটা কীভাবে চলবে? এইভাবেই চলবে তো?

Labels:

Wednesday, 20 April 2022

মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণকারী সূএ । The Laws That Control the Universe






পদার্থবিজ্ঞানীরা সপ্তদশ শতাব্দীর পর থেকে শারীরিক নিয়ম আবিষ্কারের জন্য সংগ্রাম করেছেন
 আকৃতি এবং আমাদের মহাবিশ্ব নিয়ন্ত্রণ. এটি ইউরোপীয় অভিযাত্রীরা আবিষ্কার করার জন্য সংগ্রামের মত হয়েছে ।

 1506 সাল নাগাদ ইউরেশিয়া ফোকাসে আসছে এবং দক্ষিণ আমেরিকা এর ঝলক দেখা যাচ্ছে। 1570 সালের মধ্য আমেরিকা ফোকাসে আসছে, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার কোন চিহ্ন ছিল না। 1744 সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ছিল
 ফোকাসে আসছে, কিন্তু অ্যান্টার্কটিকা ছিল টেরা ইনকগনিটা ।



 একইভাবে (চিত্র 3.2), 1690 সাল নাগাদ পদার্থবিদ্যার নিউটনীয় সূত্রগুলি ফোকাসে এসেছিল। সঙ্গে
 ধারণা যেমন বল, ভর, এবং ত্বরণ এবং সমীকরণ যা তাদের সংযুক্ত করে, যেমন 

F = ma , 


 নিউটনীয় সূএগুলি পৃথিবী এবং পৃথিবীর চারপাশে চাঁদের গতিকে সঠিকভাবে বর্ণনা করে
 সূর্যের চারপাশে, একটি বিমানের উড্ডয়ন, একটি সেতু নির্মাণ, এবং একটি শিশুর সংঘর্ষ
 মার্বেল অধ্যায় 2-এ আমরা সংক্ষিপ্তভাবে একটি নিউটনিয়ান সূত্রের উদাহরণ পেয়েছি, এর বিপরীত বর্গক্ষেত্রের সূত্র,


 মাধ্যাকর্ষণ

 1915 সাল নাগাদ আইনস্টাইন এবং অন্যরা শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছিলেন যে নিউটনের আইন ব্যর্থ হয়েছে
 খুব দ্রুত অঞ্চলের (বস্তু যেগুলি প্রায় আলোর গতিতে চলে), খুব বড় রাজ্য
 (সামগ্রিকভাবে আমাদের মহাবিশ্ব), এবং তীব্র মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্র (উদাহরণস্বরূপ, ব্ল্যাক হোল)। ক্ষতিপূরণ করা
 এই ব্যর্থতাগুলি আইনস্টাইন আমাদেরকে তার পদার্থবিজ্ঞানের বৈপ্লবিক আপেক্ষিক সূত্র দিয়েছিলেন (চিত্র 3.2)।
 বিকৃত সময় এবং বিকৃত স্থানের ধারণা (যা আমি পরবর্তী অধ্যায়ে বর্ণনা করব),
 আপেক্ষিক সূএের ভবিষ্যদ্বাণী করেছে এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, ব্ল্যাক হোল, নিউট্রন তারকা,

 1924 সাল নাগাদ এটা স্পষ্ট ছিল যে নিউটনের আইনগুলিও খুব ছোট বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়
 (অণু, পরমাণু, এবং মৌলিক কণা)। 





 নিলস বোর, ওয়ার্নার হাইজেনবার্গের সাথে মোকাবিলা করতে,
 এরউইন শ্রোডিঙ্গার এবং অন্যরা আমাদেরকে পদার্থবিজ্ঞানের কোয়ান্টাম সূত্র দিয়েছেন (চিত্র 3.2)। ব্যবহার করে।

 ধারণা,

 যে সবকিছু এলোমেলোভাবে অন্তত কিছুটা ওঠানামা করে (যা আমি অধ্যায় 26 এ বর্ণনা করেছি)
 এবং এই অস্থিরতা নতুন কণা এবং বিকিরণ তৈরি করতে পারে যেখানে আগে কিছুই ছিল না,
 কোয়ান্টাম আইন আমাদের কাছে এনেছে লেজার, পারমাণবিক শক্তি, আলো-নিঃসরণকারী ডায়োড এবং একটি গভীর
 রসায়ন বোঝা।

 1957 সালের মধ্যে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে আপেক্ষিক আইন এবং কোয়ান্টাম আইনগুলি মৌলিকভাবে
 বেমানান তারা বিভিন্ন জিনিসের ভবিষ্যদ্বাণী করে, বেমানান জিনিস, যেখানে মাধ্যাকর্ষণ আছে সেখানে
 তীব্র এবং কোয়ান্টাম শক্তিশালী ওঠানামা করে ।
 


এই রাজ্যগুলি আমাদের বিগ ব্যাং জন্মের অন্তর্ভুক্ত

 মহাবিশ্ব (অধ্যায় 2), গারগান্টুয়া (অধ্যায় 26 এবং 28) এর মতো ব্ল্যাক হোলের কোর এবং পিছনে সময় ভ্রমণ (অধ্যায় 30)। এই রাজ্যে একটি "অগ্নিময় বিবাহ"
 

অসঙ্গতিপূর্ণ আপেক্ষিক এবং
 কোয়ান্টাম সূত্র কোয়ান্টাম মহাকর্ষের নতুন সূত্রের জন্ম দেয় (চিত্র 3.2)।
 আমরা এখনও কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ আইন জানি না, কিন্তু আমাদের কিছু বাধ্যতামূলক অন্তর্দৃষ্টি আছে,
 সুপারস্ট্রিং তত্ত্ব (অধ্যায় 21) সহ, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ দ্বারা প্রচুর প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ
 একবিংশ শতাব্দীর পদার্থবিদ। এই অন্তর্দৃষ্টি সত্ত্বেও, কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ প্রায় বাঁকা রয়ে গেছে
 incognita (একটি প্রায় অজানা জমি)।





  এটি উত্তেজনাপূর্ণ বিজ্ঞান কথাসাহিত্যের জন্য অনেক কনুইয়ের জায়গা ছেড়ে দেয়,
 কনুই রুম যা ক্রিস্টোফার নোলান ইন্টারস্টেলারে দুর্দান্ত সূক্ষ্মতার সাথে ব্যবহার করেন; (অধ্যায় 28 দেখুন-
 31)


 সত্য, শিক্ষিত অনুমান, এবং অনুমান


 ইন্টারস্টেলারের বিজ্ঞান চারটি ডোমেনেই রয়েছে: নিউটনিয়ান, আপেক্ষিক, কোয়ান্টাম এবং কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ।

  তদনুসারে, কিছু বিজ্ঞান সত্য বলে পরিচিত, কিছু শিক্ষিত
 অনুমান, এবং কিছু অনুমান হয়.
 সত্য হতে হলে, বিজ্ঞানকে অবশ্যই সুপ্রতিষ্ঠিত ভৌত আইনের উপর ভিত্তি করে হতে হবে (নিউটনিয়ান,
 আপেক্ষিক, বা কোয়ান্টাম), এবং এটি অবশ্যই পর্যবেক্ষণে যথেষ্ট ভিত্তি থাকতে হবে যা আমরা আত্মবিশ্বাসী
 কিভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত আইন প্রয়োগ করতে হয়।
 অবিকল এই অর্থে, নিউট্রন নক্ষত্র এবং তাদের চৌম্বক ক্ষেত্র, অধ্যায় 2 এ বর্ণিত হয়েছে
 সত্য কেন? 


 প্রথমত, কোয়ান্টাম এবং আপেক্ষিক আইন দ্বারা নিউট্রন তারার অস্তিত্বের দৃঢ়ভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়।



 দ্বিতীয়ত, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিউট্রন নক্ষত্র থেকে পালসার বিকিরণ নিয়ে ব্যাপক বিস্তারিতভাবে অধ্যয়ন করেছেন
 (আলোর ডাল, এক্স-রে, এবং রেডিও তরঙ্গ অধ্যায় 2 এ বর্ণিত)। এই পালসার পর্যবেক্ষণ হয় ।কোয়ান্টাম এবং আপেক্ষিক আইন দ্বারা সুন্দর এবং সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যদি পালসার একটি হয়
 স্পিনিং নিউট্রন স্টার; এবং অন্য কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি ।



 তৃতীয়ত, নিউট্রন তারা
 সুপারনোভা নামক জ্যোতির্বিদ্যাগত বিস্ফোরণে গঠনের দৃঢ়ভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, এবং পালসারগুলিকে দেখা যায়
 বড়, প্রসারিত গ্যাস মেঘের কেন্দ্র, পুরানো সুপারনোভার অবশিষ্টাংশ। এইভাবে, আমরা জ্যোতির্পদার্থবিদ
 কোন সন্দেহ নেই; নিউট্রন তারা সত্যিই বিদ্যমান এবং তারা সত্যিই পর্যবেক্ষিত পালসার উত্পাদন করে
 বিকিরণ ।


 একটি সত্যের আরেকটি উদাহরণ হল ব্ল্যাক হোল গার্গেন্টুয়া এবং আলোক রশ্মির বাঁক যার দ্বারা এটি তারার ছবি বিকৃত করে (চিত্র 3.3)।  

পদার্থবিদরা এই বিকৃতিটিকে "মহাকর্ষীয় লেন্সিং" বলে ।



 কারণ এটি একটি বাঁকা লেন্স বা আয়না দ্বারা একটি ছবির বিকৃতির অনুরূপ, যেমন একটি বিনোদন
 পার্কের মজার বাড়ি, উদাহরণস্বরূপ।

 আইনস্টাইনের আপেক্ষিক আইন ভবিষ্যদ্বাণী করে, দ্ব্যর্থহীনভাবে, তাদের থেকে ব্ল্যাক হোলের সমস্ত বৈশিষ্ট্য
 তাদের মহাকর্ষীয় লেন্সিং সহ পৃষ্ঠগুলি বাইরের দিকে।




 জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দৃঢ় পর্যবেক্ষণ আছে
 আমাদের মহাবিশ্বে গারগান্টুয়ার মত বিশাল ব্ল্যাক হোল সহ ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্বের প্রমাণ।
 জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অন্যান্য বস্তু দ্বারা মহাকর্ষীয় লেন্সিং দেখেছেন (উদাহরণস্বরূপ, চিত্র 24.3),


যদিও
 এখনও ব্ল্যাক হোল দ্বারা নয়, এবং পর্যবেক্ষিত লেন্সিং এর পূর্বাভাসের সাথে সুনির্দিষ্ট সঙ্গতিপূর্ণ
 আইনস্টাইনের আপেক্ষিক আইন। এই আমার জন্য যথেষ্ট. গার্গেন্টুয়ার মহাকর্ষীয় লেন্সিং, সিমুলেটেড হিসাবে
 পল ফ্রাঙ্কলিনের ডাবল নেগেটিভ টিমের আপেক্ষিকতা সমীকরণ ব্যবহার করে যা আমি তাদের দিয়েছিলাম, এটি সত্য। এই
 এটা সত্যিই মত চেহারা হবে কি.
 বিপরীতে, আন্তঃনাক্ষত্রিক (চিত্র 3.4 এবং চিত্র 3.4) পৃথিবীতে মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে
 অধ্যায় 11) এক অর্থে একটি শিক্ষিত অনুমান, এবং অন্য অর্থে একটি অনুমান। আমাকে ব্যাখ্যা করতে দাও ।


 নথিভুক্ত ইতিহাস জুড়ে, মানুষ যে ফসল ফলায় তা মাঝে মাঝে জর্জরিত হয়েছে
 ব্লাইটস (জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট দ্রুত রোগ ছড়ানো)। জীববিদ্যা যে এই blights underlies
 রসায়নের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়, যা পরিবর্তিতভাবে কোয়ান্টাম আইনের উপর ভিত্তি করে। বিজ্ঞানীরা এখনও জানেন না কিভাবে
 অনুমান করতে, কোয়ান্টাম আইন থেকে, সমস্ত প্রাসঙ্গিক রসায়ন (তবে তারা এটির অনেক কিছু অনুমান করতে পারে) 
 এবং তারা এখনও জানে না কিভাবে রসায়ন থেকে প্রাসঙ্গিক জীববিজ্ঞানের সমস্ত কিছু বের করা যায়।  


তবুও

আমরা পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষা, জীববিজ্ঞানী blights সম্পর্কে অনেক শিখেছি. ব্লাইটস
 মানুষ এখন পর্যন্ত এক ধরণের উদ্ভিদ থেকে অন্য গাছে সংক্রমিত হতে পারেনি
 মানুষের জীবনকে বিপন্ন করার মতো গতি। কিন্তু আমরা জানি না এমন কিছুই গ্যারান্টি দেয় না যে এটি ঘটবে না। যে
 যেমন একটি ব্লাইট সম্ভব একটি শিক্ষিত অনুমান । এটা কোন একদিন ঘটতে পারে সেটাই একটা জল্পনা
 অধিকাংশ জীববিজ্ঞানী খুবই অসম্ভাব্য বলে মনে করেন।

 ইন্টারস্টেলারে (অধ্যায় 24 এবং 25) যে মহাকর্ষীয় অসঙ্গতিগুলি ঘটে, উদাহরণস্বরূপ,
 কয়েন কুপারের টস যে হঠাৎ মেঝেতে নিমজ্জিত হয়, তা অনুমান। তাই ব্যবহার করা হয়
 পৃথিবী থেকে উপনিবেশ তুলে নেওয়ার অসঙ্গতি (অধ্যায় 31)।
 যদিও পরীক্ষামূলক পদার্থবিদরা মাধ্যাকর্ষণ পরিমাপ করার সময় অসামঞ্জস্যের জন্য কঠোর অনুসন্ধান করেছেন-

 এমন আচরণ যা নিউটনীয় বা আপেক্ষিক আইন দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না - কোন বিশ্বাসযোগ্য নয় ।

 মহাকর্ষীয় অসামঞ্জস্য পৃথিবীতে কখনও দেখা গেছে।

 যাইহোক, কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ বোঝার অনুসন্ধান থেকে মনে হচ্ছে আমাদের মহাবিশ্ব একটি
 ঝিল্লি (পদার্থবিজ্ঞানীরা একে "ব্রেন" বলে) একটি উচ্চ-মাত্রিক "হাইপারস্পেসে" অবস্থান করে যার ।


 পদার্থবিদরা "বাল্ক" নাম দেন; দেখুন চিত্র 3.5 এবং অধ্যায় 4 এবং 21। যখন পদার্থবিজ্ঞানীরা বহন করেন
 আইনস্টাইনের আপেক্ষিক আইনগুলি এই বিপুল পরিমাণে, যেমন প্রফেসর ব্র্যান্ড তার অফিসে ব্ল্যাকবোর্ডে করেন

 (চিত্র 3.6), তারা মহাকর্ষীয় অসামঞ্জস্যের সম্ভাবনা আবিষ্কার করে-এর দ্বারা উদ্ভূত অসঙ্গতিগুলি
 ভৌত ক্ষেত্র যা blak hole মধ্যে থাকে।
 আমরা নিশ্চিত যে blak hole সত্যিই বিদ্যমান. এবং এটা শুধুমাত্র একটি শিক্ষিত অনুমান যে,

 যদি
 প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান, আইনস্টাইনের আইন সেখানে রাজত্ব করে। এবং আমাদের কোন ধারণা নেই যে blak hole যদি এটি বিদ্যমান থাকে ।

 ক্ষেত্রগুলি রয়েছে যা মহাকর্ষীয় অসামঞ্জস্যগুলি তৈরি করতে পারে এবং যদি তাই হয় তবে সেই অসামঞ্জস্যগুলি হতে পারে কিনা ?


 ব্যবহার করা , অসঙ্গতি এবং তাদের ব্যবহার একটি বরং চরম জল্পনা । কিন্তু তারা
 বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে জল্পনা করে যে আমি এবং আমার কিছু পদার্থবিজ্ঞানী বন্ধুদের আনন্দ দিতে পেরে খুশি
 বিয়ারের জন্য অন্তত গভীর রাতে। তাই তারা যে নির্দেশিকাগুলির মধ্যে পড়ে আমি ইন্টারস্টেলারের পক্ষে সমর্থন করেছি। ।



 বাস্তব বিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত হবে, ধারণা থেকে যে অন্তত কিছু 'সম্মানজনক'
 বিজ্ঞানীরা সম্ভাব্য হিসাবে বিবেচনা করেন" (অধ্যায় 1)।
 চিত্র 3.5। আমাদের মহাবিশ্ব, সূর্যের সান্নিধ্যে,

 এই বই জুড়ে, ইন্টারস্টেলার বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করার সময়, আমি সেই অবস্থা ব্যাখ্যা করি
 বিজ্ঞান-সত্য, শিক্ষিত অনুমান, বা অনুমান-এবং আমি এটিকে একটি অধ্যায়ের শুরুতে লেবেল করি তা, 

 একটি প্রতীক সহ বিভাগ:


 🟢 সত্যের জন্য

 🟡 শিক্ষিত অনুমানের জন্য

 🔵 অনুমানের জন্য
 অবশ্যই, একটি ধারণার অবস্থা—সত্য, শিক্ষিত অনুমান বা অনুমান—পরিবর্তন হতে পারে; এবং আপনি করবেন ।


 সিনেমা এবং এই বইতে মাঝে মাঝে এই ধরনের পরিবর্তনগুলি দেখা যায়। কুপারের জন্য, বেশিরভাগই শিক্ষিত
 অনুমান করুন যে তিনি টেসারেক্টে সেখানে গেলে সত্য হয়ে ওঠে (অধ্যায় 29) এবং এর আইন।

 কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ একটি অনুমান যতক্ষণ না space ship টি ব্ল্যাক হোলের ভিতর থেকে বের না হয় তাই
 কুপার এবং মার্ফ তারা সত্য হয়ে ওঠে (অধ্যায় 28 এবং 30)।


 ঊনবিংশ শতাব্দীর পদার্থবিদদের কাছে, নিউটনের অভিকর্ষের জন্য বিপরীত বর্গ সূত্র ছিল একটি পরম
 সত্য । কিন্তু 1890 সালের দিকে কক্ষপথে একটি ক্ষুদ্র পরিলক্ষিত অসামঞ্জস্যতার কারণে এটি বিপ্লবীভাবে উত্থাপিত হয়েছিল
 সূর্যের চারপাশে বুধ (অধ্যায় 24)। নিউটনের সূত্র আমাদের সৌরজগতে প্রায় সঠিক,
 কিন্তু পুরোপুরি না এই অসঙ্গতি আইনস্টাইনের বিংশ শতাব্দীর আপেক্ষিক আইনের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করেছিল,
 যা-দৃঢ় মাধ্যাকর্ষণ রাজ্যে-জল্পনা হিসাবে শুরু হয়েছিল, একটি শিক্ষিত অনুমান হয়ে ওঠে যখন


 পর্যবেক্ষনমূলক তথ্যগুলি ঘূর্ণায়মান হতে শুরু করে এবং 1980 সাল নাগাদ, নিত্য-উন্নত পর্যবেক্ষণের সাথে, বিকশিত হয়
 সত্যে (অধ্যায় 4)।

 প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্যকে তুলে ধরে এমন বিপ্লবগুলি অত্যন্ত বিরল। কিন্তু যখন তারা
 ঘটতে পারে, তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

 🔥 আপনি কি আপনার নিজের জীবনের অনুমানগুলিকে চিহ্নিত করতে পারেন যা শিক্ষিত অনুমান এবং তারপর সত্য হয়ে ওঠে?
 আপনি কি কখনো দেখেছেন যে আপনার প্রতিষ্ঠিত সত্যগুলো আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের সাথে উন্নীত হয়েছে। ?

Labels:

Monday, 18 April 2022

সমান্তরাল মহাবিশ্ব । Parallel universe






আমাদের মহাবিশ্ব সত্যিই, সত্যি কী বড় বা তা কী সসীম হতে পারে। অথবা এটা অসীম বড় হতে পারে।

পদার্থবিজ্ঞানী ব্রায়ান গ্রিন বলেছেন,

উভয় ক্ষেত্রেই সম্ভাবনা আছে, কিন্তু পরবর্তীটি যদি সত্য হয়, তবে আরেকটি স্থানে এই অসীম মহাবিশ্বের মধ্যে বস্তু নিজেকে সাজাতে পারে এমন অনেক উপায় আছে। অবশেষে, বস্তু নিজেকে পুনরাবৃত্তি করতে পারে এবং একইভাবে নিজেকে সাজাতে হবে। সুতরাং মহাবিশ্ব অসীমভাবে বড় হলে, এটি অসীম সমান্তরাল মহাবিশ্বেরও আবাসস্থল।

শব্দটি বিভ্রান্তিকর ?

এটা চেষ্টা কর ,

তাসের ডেকের মতো মহাবিশ্বকে ভাবুন।

"এখন, আপনি যদি সেই ডেকটি এলোমেলো করেন, তাহলে অনেকগুলি অর্ডারই ঘটতে পারে," গ্রিন বলেছেন।

"যদি আপনি সেই ডেকটিকে পর্যাপ্ত বার এলোমেলো করেন, তাহলে তাসগুলিকে পুনরাবৃত্তি করতে হবে। একইভাবে, একটি অসীম মহাবিশ্ব এবং শুধুমাত্র একটি সীমিত সংখ্যক পদার্থের জটিলতার সাথে, বস্তুটি যেভাবে নিজেকে সাজায় তার পুনরাবৃত্তি করতে হবে।"

গ্রিন, The elegant universe এবং The fabric of the cosmos - এর লেখক, তার সাম্প্রতিক বই,

The hidden Reality : Parallel universe and the deep loss of the cosmos - এ একাধিক মহাবিশ্বের অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, পদার্থবিদ্যা এবং জ্যোতির্বিদ্যার সাম্প্রতিক আবিষ্কারগুলি এই ধারণার দিকে ইঙ্গিত করে যে আমাদের মহাবিশ্ব একটি বিশাল মাল্টিভার্সে বসবাসকারী বহু মহাবিশ্বের একটি হতে পারে।


"আপনি যদি ভৌত ​​মহাবিশ্বের গাণিতিক বর্ণনাগুলিতে যথেষ্ট গভীরভাবে চাপ দেন তবে আপনি আপনার গবেষণায় মাল্টিভার্সের কিছু সংস্করণ থাকা প্রায় এড়াতে পারবেন না," তিনি বলেছেন। "আমাদের মধ্যে অনেকেই সমান্তরাল মহাবিশ্ব তত্ত্বের একটি সংস্করণ বা অন্য একটি সংস্করণ নিয়ে চিন্তা করি। যদি এটি অনেক বাজে কথা হয়, তাহলে এই দূরবর্তী ধারণায় যাওয়ার অনেক প্রচেষ্টা নষ্ট হয়। কিন্তু যদি এই ধারণাটি সঠিক হয় তবে এটি একটি আমাদের বোঝাপড়ায় দুর্দান্ত ব্যর্থতা।"

◾ কিভাবে কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা একটি অংশ খেলে ?


গ্রিন মনে করেন ,


এই মাল্টিভার্স বোঝার চাবিকাঠি স্ট্রিং থিওরি থেকে এসেছে, পদার্থবিদ্যার যে ক্ষেত্রটি তিনি গত 25 বছর ধরে অধ্যয়ন করেছেন।

সংক্ষেপে, স্ট্রিং থিওরি পদার্থবিদ্যায় ইতিমধ্যেই গৃহীত দুটি ধারণার মধ্যে একটি গাণিতিক দ্বন্দ্বের মিলনের চেষ্টা করে :

কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

"আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব বড় জিনিস ব্যাখ্যা করার জন্য একটি চমৎকার কাজ করে," গ্রিন বলেছেন । "কোয়ান্টাম মেকানিক্স স্পেকট্রামের অন্য প্রান্তের জন্য দুর্দান্ত - ছোট জিনিসগুলির জন্য। বড় সমস্যা হল যে প্রতিটি তত্ত্ব প্রতিটি রাজ্যের জন্য দুর্দান্ত, কিন্তু যখন তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়, তখন তারা হিংস্র প্রতিপক্ষ হয় এবং গণিতটি আলাদা হয়ে যায়।"



স্ট্রিং তত্ত্ব বর্তমানে কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আপেক্ষিক তত্ত্বের মধ্যে বিদ্যমান গাণিতিক অসঙ্গতিগুলিকে মসৃণ করে । এটি বিশ্বাস করে যে সমগ্র মহাবিশ্বকে সত্যিই, সত্যিই ছোট স্ট্রিংগুলির পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যা 10 বা 11টি Dimension এ কম্পিত হয় - যার অর্থ আমরা দেখতে পাই না। এটি বিদ্যমান থাকলে, এটি আক্ষরিক অর্থে মহাবিশ্বের সবকিছু ব্যাখ্যা করতে পারে - sub atomic কণা থেকে গতি এবং মাধ্যাকর্ষণ আইন পর্যন্ত।

◾ তাহলে মাল্টিভার্সের অস্তিত্বের সম্ভাবনার সাথে এর কি সম্পর্ক ?

গ্রিন বলেছেন, "আমাদের স্ট্রিং তত্ত্বের অধ্যয়ন থেকে বেরিয়ে আসা কয়েকটি মাল্টিভার্স রয়েছে।" "স্ট্রিং তত্ত্বের মধ্যে, আমরা যে স্ট্রিংগুলির কথা বলছি তা শুধুমাত্র এই তত্ত্বের অনুমতি দেয় না। এটি এমন বস্তুগুলিকেও অনুমতি দেয় যেগুলি বড় উড়ন্ত কার্পেটের মতো দেখায়, বা ঝিল্লি, যা two dimensional পৃষ্ঠ। এবং এর অর্থ কী, স্ট্রিংয়ের মধ্যে তত্ত্ব হল, আমরা হয়তো সেই বিশালাকার পৃষ্ঠগুলির মধ্যে একটিতে বাস করছি এবং সেখানে মহাকাশে ভাসমান অন্যান্য পৃষ্ঠ থাকতে পারে।"

তিনি বলেন, এই তত্ত্বটি পারমাণবিক গবেষণার জন্য ইউরোপীয় সংস্থা CERN-এর Large Hidden Collider লার্জ (LHC) পরীক্ষাযোগ্য হতে পারে।



"যদি আমরা এই বিশালাকার ঝিল্লিগুলির মধ্যে একটিতে বাস করি, তাহলে নিম্নলিখিতগুলি ঘটতে পারে : যখন আপনি কণাগুলিকে একসাথে স্লাম করেন - যা LHC-তে ঘটে - সেই সংঘর্ষের কিছু ধ্বংসাবশেষ আমাদের ঝিল্লি থেকে বের করে দেওয়া যেতে পারে এবং বৃহত্তর অংশে বের হয়ে যেতে পারে কসমস যেখানে আমাদের ঝিল্লি ভাসছে," তিনি বলেছেন। "যদি তা হয়, সেই ধ্বংসাবশেষ কিছু শক্তি কেড়ে নেবে। সুতরাং আমরা যদি প্রোটনের সংঘর্ষের ঠিক আগে শক্তির পরিমাণ পরিমাপ করি এবং তাদের সংঘর্ষের ঠিক পরে শক্তির পরিমাণের সাথে তুলনা করি, যদি তার পরে একটু কম হয় - এবং এটি কম হয় ঠিক সঠিক উপায় - এটি নির্দেশ করবে যে কেউ কেউ উড়ে গেছে, ইঙ্গিত করে যে এই ঝিল্লি ছবি সঠিক।"

গ্রিন ব্যাখ্যা করেছেন যে, তিনি যখন স্ট্রিং তত্ত্ব এবং সমান্তরাল মহাবিশ্ব নিয়ে অধ্যয়ন শুরু করেছিলেন, তখন এটি ছিল না কারণ তিনি একদিন CERN-এ শক্তি পরিমাপ করতে বা নতুন গাণিতিক সমীকরণ বিকাশ করতে পারতেন। তিনি সহজভাবে ধারণা পছন্দ করেছেন, তিনি বলেন, এত বড় পরিসরে কিছু অধ্যয়ন করার।

"আমরা শুধু মহাবিশ্ব নয়, সম্ভবত অন্যান্য মহাবিশ্ব সম্পর্কে কথা বলার চেষ্টা করছি - তবে সবই একটি যৌক্তিক কাঠামোর মধ্যে যা আমাদের কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি তৈরি করতে দেয়," তিনি বলেছেন। "আমার কাছে, এটি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ, প্রতিদিনের বাইরে পা দেওয়া এবং সত্যিই মহাবিশ্বকে, এই গাণিতিক পদের মধ্যে, এর সর্বশ্রেষ্ঠ দাঁড়িপাল্লায় দেখা।"



বাস্তবতার ভিত্তিতে সমান্তরাল মহাবিশ্বের সীমানা





তখন আমি যখন বড় হচ্ছি, আমার ঘরটি শুধুমাত্র একটি আয়না দিয়ে সাজানো থাকতো, আমার শৈশবের দিবাস্বপ্নগুলি খুব অন্যরকম হতে পারে। কিন্তু এর দুটি ছিল। এবং প্রতিদিন সকালে যখন আমি আমার জামাকাপড় পেতে টয়লেটের দরজা খুলতাম, তখন তার দরজার মধ্যে নির্মিত দরজাটি দেয়ালের সাথে সারিবদ্ধ ছিল, তাদের মধ্যে অবস্থিত যে কোনও কিছুর প্রতিফলনের একটি আপাতদৃষ্টিতে অসীম সিরিজ তৈরি করে। এটা মন্ত্রমুগ্ধকর ছিল. আমি সমান্তরাল কাচের প্লেনগুলিকে জনবহুল করে তোলার পরের চিত্র দেখে আনন্দিত হয়েছি, যতদূর চোখের দৃষ্টি যেতে পারে তত পিছনে প্রসারিত হয়ে সমস্ত প্রতিফলন একত্রে চলে যাচ্ছে বলে মনে হয়েছিল - কিন্তু আমি জানতাম যে, মানুষের উপলব্ধির একটি নিছক সীমাবদ্ধতা; অল্প বয়সে আমি আলোর সীমাবদ্ধ গতি শিখেছিলাম। তাই আমার মনের চোখে, আমি আলোর রাউন্ড-ট্রিপ যাত্রা দেখতাম। আমার মাথার খুলি, আমার হাত নিঃশব্দে আয়নার মধ্যে প্রতিধ্বনিত হয়, প্রতিটি প্রতিফলিত চিত্র পরের দিকে ধাক্কা দেয়। কখনও কখনও আমি লাইনের নিচে একজন অসম্মানিত আমাকে কল্পনা করব যে জায়গায় পড়তে অস্বীকৃতি জানায়, স্থির অগ্রগতি ব্যাহত করে এবং একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি করে যা অনুসরণকারীদের জানিয়েছিল। স্কুলে ঘুমানোর সময়, আমি মাঝে মাঝে সেই সকালে আমি যে আলো আয়নায় ফেলেছিলাম তা নিয়ে ভাবতাম, এখনও আয়নার মধ্যে অবিরাম লাফাচ্ছি, এবং আমি আমার প্রতিফলিত আত্মগুলির মধ্যে একটিতে যোগ দিতাম, আলোর দ্বারা নির্মিত এবং কল্পনা দ্বারা চালিত একটি কাল্পনিক সমান্তরাল জগতে প্রবেশ করতাম। এটি নিয়ম ভঙ্গ করার একটি নিরাপদ উপায় ছিল।

নিশ্চিত হওয়ার জন্য, প্রতিফলিত চিত্রগুলির নিজস্ব মন নেই। কিন্তু অভিনব এই যৌবনের ফ্লাইটগুলি, তাদের কল্পিত সমান্তরাল বাস্তবতার সাথে, আধুনিক বিজ্ঞানের একটি ক্রমবর্ধমান বিশিষ্ট থিমের সাথে প্রতিধ্বনিত হয় - আমরা যা জানি তার বাইরে পৃথিবীর সম্ভাবনা। এই বইটি এমন সম্ভাবনার অন্বেষণ, সমান্তরাল মহাবিশ্বের বিজ্ঞানের মাধ্যমে একটি বিবেচিত যাত্রা।

মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্ব



একটা সময় ছিল যখন "মহাবিশ্ব" মানে "সব কিছু আছে " সবকিছু পুরো বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। একাধিক মহাবিশ্বের ধারণা, একাধিক সবকিছু, আপাতদৃষ্টিতে একটি দ্বন্দ্ব হবে। তবুও তাত্ত্বিক উন্নয়নের একটি পরিসর ধীরে ধীরে "মহাবিশ্ব" এর ব্যাখ্যার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একজন পদার্থবিজ্ঞানীর কাছে, শব্দের অর্থ এখন মূলত প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করে। কখনও কখনও "মহাবিশ্ব" এখনও একেবারে সবকিছু বোঝায়। কখনও কখনও এটি কেবলমাত্র সমস্ত কিছুর সেই অংশগুলিকে বোঝায় যা আপনি বা আমার মতো কেউ নীতিগতভাবে অ্যাক্সেস করতে পারে৷ কখনও কখনও এটি পৃথক রাজ্যে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলি আংশিক বা সম্পূর্ণ, অস্থায়ী বা স্থায়ীভাবে, আমাদের কাছে প্রবেশযোগ্য নয়; এই অর্থে, শব্দটি আমাদেরকে একটি বৃহৎ, সম্ভবত অসীমভাবে বৃহৎ, যা একটি সদস্য মাত্র।

এর আধিপত্য হ্রাসের সাথে সাথে, "মহাবিশ্ব" বিস্তৃত ক্যানভাস ক্যাপচার করার জন্য প্রবর্তিত অন্যান্য পরিভাষাগুলির পথ দিয়েছে যার উপর বাস্তবতার সামগ্রিকতা আঁকা হতে পারে। সমান্তরাল বিশ্ব বা সমান্তরাল মহাবিশ্ব বা একাধিক মহাবিশ্ব বা বিকল্প মহাবিশ্ব বা মেটাভার্স, মেগাভার্স বা মাল্টিভার্স — এগুলি সবই সমার্থক এবং এগুলি সমস্ত শব্দের মধ্যে রয়েছে যা কেবল আমাদের মহাবিশ্বকে নয় বরং অন্যদের একটি জগত কে আলিঙ্গন করতে ব্যবহৃত হয় যা সেখানে থাকতে পারে ।

আপনি লক্ষ্য করবেন যে পদগুলি কিছুটা অস্পষ্ট। ঠিক কি একটি বিশ্ব বা কি গঠন মহাবিশ্বের? কোন মাপকাঠিগুলি তাদের নিজস্ব মহাবিশ্ব হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা থেকে একটি একক মহাবিশ্বের স্বতন্ত্র অংশগুলিকে আলাদা করে? হয়তো কোনো একদিন আমাদের এই প্রশ্নগুলোর সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়ার জন্য একাধিক মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি যথেষ্ট পরিপক্ক হবে। আপাতত, আমরা পর্নোগ্রাফি সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করার জন্য বিচারপতি পটার স্টুয়ার্টের বিখ্যাতভাবে প্রয়োগ করা পদ্ধতি ব্যবহার করব। যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি মানকে চিত্রিত করার জন্য শক্তিশালীভাবে কুস্তি করেছিল, স্টুয়ার্ট সহজভাবে এবং স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছিলেন, "আমি যখন এটি দেখি তখন আমি এটি জানি।"

শেষ পর্যন্ত, একটি রাজ্য বা অন্য একটি সমান্তরাল মহাবিশ্বকে লেবেল করা নিছক ভাষার প্রশ্ন। বিষয়বস্তুর কেন্দ্রবিন্দুতে যা গুরুত্বপূর্ণ, তা হল এমন কোন অঞ্চল আছে কি না যা এই পরামর্শ দিয়ে যে আমরা যাকে মহাবিশ্ব বলে মনে করে আসছি তা হল একটি অতি মহৎ, সম্ভবত অপরিচিত এবং বেশিরভাগ লুকানো বাস্তবতার একটি উপাদান।



গত অর্ধ শতাব্দীতে, বিজ্ঞান এই সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করার যথেষ্ট উপায় প্রদান করেছে।


সমান্তরাল মহাবিশ্বের বিভিন্নতা



একটি চমকপ্রদ সত্য (এটি কিছু অংশ যা আমাকে এই বইটি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে) হল মৌলিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের অনেক বড় উন্নয়ন — আপেক্ষিক পদার্থবিদ্যা, কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, মহাজাগতিক পদার্থবিদ্যা, ইউনিফাইড ফিজিক্স, কম্পিউটেশনাল ফিজিক্স — আমাদের এক বা অন্যটি বিবেচনা করতে পরিচালিত করেছে। সমান্তরাল মহাবিশ্বের বিভিন্নতা। প্রকৃতপক্ষে, যে অধ্যায়গুলি অনুসরণ করে সেগুলি মাল্টিভার্স থিমের নয়টি বৈচিত্রের মাধ্যমে একটি আখ্যানের চাপ খুঁজে পায়। প্রতিটি আমাদের মহাবিশ্বকে একটি অপ্রত্যাশিতভাবে বৃহত্তর সমগ্রের অংশ হিসাবে কল্পনা করে, তবে সেই সমগ্রের বর্ণ এবং সদস্য মহাবিশ্বের প্রকৃতি তাদের মধ্যে তীব্রভাবে পৃথক। কিছু কিছুতে, সমান্তরাল মহাবিশ্বগুলি স্থান বা সময়ের বিশাল প্রসারিত দ্বারা আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়; অন্যদের মধ্যে, তারা মিলিমিটার দূরে ঘোরাফেরা করছে; অন্যদের মধ্যে এখনও, তাদের অবস্থানের ধারণাটি সংকীর্ণ, অর্থহীন প্রমাণ করে। সমান্তরাল মহাবিশ্বগুলিকে পরিচালনাকারী আইনগুলিতে একই রকম সম্ভাবনার পরিধি প্রকাশ পায়। কিছু ক্ষেত্রে, আইন আমাদের মত একই; অন্যদের মধ্যে, তারা ভিন্ন দেখায় কিন্তু একটি ঐতিহ্য ভাগ করেছে; অন্যদের মধ্যে এখনও, আইনগুলি একটি ফর্ম এবং কাঠামোর হয় যা আমরা কখনও সম্মুখীন হয়েছি কী না। বাস্তবতা কতটা বিস্তৃত হতে পারে তা কল্পনা করার জন্য এটি একবারে নম্র এবং আলোড়ন সৃষ্টি করে।


সমান্তরাল জগতের কিছু প্রথম দিকের বৈজ্ঞানিক অভিযানগুলি 1950-এর দশকে গবেষকরা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দিকগুলি নিয়ে বিভ্রান্তির মাধ্যমে শুরু করেছিলেন, একটি তত্ত্ব যা পরমাণু এবং সাবঅ্যাটমিক কণাগুলির মাইক্রোস্কোপিক রাজ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য তৈরি হয়েছিল৷ কোয়ান্টাম মেকানিক্স পূর্ববর্তী কাঠামোর ছাঁচ ভেঙেছে, ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স, প্রতিষ্ঠা করে যে বিজ্ঞানের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি অগত্যা সম্ভাব্য। আমরা একটি ফলাফল অর্জনের প্রতিকূলতা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি, আমরা অন্যটির প্রতিকূলতার ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি, কিন্তু আমরা সাধারণত ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি না যে আসলে কোনটি ঘটবে। শত শত বছরের বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা থেকে এই সুপরিচিত প্রস্থান যথেষ্ট বিস্ময়কর। কিন্তু কোয়ান্টাম তত্ত্বের আরও বিভ্রান্তিকর দিক রয়েছে যা কম মনোযোগ পায়। কয়েক দশক ধরে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নিবিড়ভাবে অধ্যয়ন করার পরে, এবং এর সম্ভাব্য ভবিষ্যদ্বাণীগুলি নিশ্চিত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে ডেটা জমা করতে পরে, কেউ ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হয়নি কেন যে কোনও পরিস্থিতিতে অনেকগুলি সম্ভাব্য ফলাফলের মধ্যে কেবল একটিই ঘটে। যখন আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি, যখন আমরা বিশ্বকে পরীক্ষা করি, তখন আমরা সবাই একমত যে আমরা একটি নির্দিষ্ট বাস্তবতার সম্মুখীন হই। তবুও, কোয়ান্টাম বিপ্লব শুরু হওয়ার এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরেও, এই মৌলিক সত্যটি কীভাবে তত্ত্বের গাণিতিক অভিব্যক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা নিয়ে বিশ্বের পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন ঐক্যমত নেই।

Labels:

Sunday, 17 April 2022

বই পড়ার motivation

 


Desire can move mountains!







অনেক সময় আমরা হতাশ হয়ে যাই। বেশ পড়লাম, কিন্তু এক্সামে নাম্বার পেলাম না। বেশ পরিশ্রম করলাম, কিন্তু সাফল্য পেলাম না।


একবার ভেবে দেখো। কেউ যদি বলত যে ভাই, আপনি যদি  ১০,০০০ জুল কাজ করেন, তাইলে বুয়েটে চান্স পাবেন। কি অবস্থাটা হইতো?



আমরা সবাই মিনিমাম ১০,০০০ জুল কাজ করে ফেলতাম, তাই না?


এটাই মেইন সমস্যা। আমরা আসলে জানি না যে ঠিক কতটা পরিশ্রম করলে আমরা সফল হব। কেউই জানে না।


তাইলে কি করার? কন্টিনিউয়াসলি চেষ্টা করে যেতে হবে, যতক্ষণ সাফল্য না আসে। অনেক বাধা আসবে, অনেক সমস্যা আসবে, কিন্তু সেগুলা অতিক্রম করেই নিজ লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। 


দিন শেষে তারাই হাসবে যারা নিজের স্বপ্নের পিছনে নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পেরেছে!


So, what are you waiting for?

Labels:

হাইড্রা ও রুইমাছ টেস্ট পেপার সমাধান ক্লাস । Hsc Powerplay-2022


হাইড্রা ও রুইমাছ







Click here to see the class

Password : biology 


হাইড্রা দাগানো বই :







রুই মাছ দাগানো বই :



হাইড্রা(Hydra)


হাইড্রা (সিলেন্টেরাটা বা নিডারিয়া) পর্বের Hydrozoa শ্রেণীর এবং Hydra গণের অধীনে বেশ কয়েকটা প্রজাতি আছে। এদের মধ্যে Hydra vulgaris [H. S. C. শ্রেণীতে পাঠ্য]।


১৭০০ সালে আব্রাহাম টেম্বলে হাইড্রা আবিস্কার করেন।গ্রিক মাইথোলজিতে বর্ণিত বহু মস্তক বিশিষ্ট কাল্পনিক দৈত্য হাইড্রার (Hydra) নামানুসারে লিনিয়াস এর নামকরণ করেন।


প্রজাতিভেদে হাইড্রা একলিঙ্গিক (Hydra oligactis) বা উভয়লিঙ্গিক হয় (Hydra vulgaris)


হাইড্রার শ্রেণি বিন্যাস(classification of hydra)


Phylum : Coelenterata/Cnidaria


Class : Hydrozoa


Order : Hydroida


Family : Hydridae


Genus : Hydra


Species : Hydra vulgaris


স্বভাব ও বাসস্থান


এরা সাধারণত স্রোতহীন স্বাদু পানিতে বাস করে। পুকুর, হ্রদ, বিল, নদী এবং ঝর্ণার পরিষ্কার পানিতে হাইড্রা পাওয়া যায়।


হাইড্রার বাহ্যিক গঠন (External Characters)


Hydra vulgaris এর দেহ নলাকার, লম্বাটে এবং ১-৩ সে. মি. লম্বা। পূর্ণাঙ্গ হাইড্রা ক্ষুদ্র, হালকা হলুদাভ বাদামী বর্ণের পলিপ বিশেষ। একটা পূর্ণাঙ্গ হাইড্রার দেহে নিম্নলিখিত অংশগুলাে পাওয়া যায়। যথাঃ


(ক) মুখছিদ্র ও হাইপােষ্টোম (Mouth and Hypostome)


হাইড্রার নলাকৃতি দেহের সম্মুখ বা উপরের প্রান্তে মুখছিদ্র থাকে। মুখছিদ্রের ঠিক নীচে একটা ছােট ও মােচাকৃতি সংকোচন-প্রসারণশীল অঙ্গ থাকে।একে হাইপােস্টোম (Hypo = নীচে, stoma = মুখ) বলে। হাইপােস্টোমের অগ্রপ্রান্ত মুখছিদ্রকে ধারণ করে।


কাজ: পানির সাথে পরিবেশ থেকে খাদ্য ও অক্সিজেন হাইপােস্টোমে অবস্থিত মুখছিদ্রের মাধ্যমে সিলেন্টেরণে প্রবেশকরে এবং সিলেন্টেরণ থেকে পানির সাথে বর্জ্য পদার্থ এবং CO2 বাইরে বের হয়ে যায়।


(খ) দেহকান্ড (Body)


হাইপােস্টোমের নীচ থেকে দেহের পশ্চাৎ প্রান্তে অবস্থিত পদচাকতি পর্যন্ত নলাকার অংশটি দেহকান্ড (Trunk)। দেহকাণ্ডে নিম্নোক্ত অঙ্গগুলাে দেখা যায় ।


(i) কর্ষিকা (Tentacles) : হাইপােস্টোম এবং দেহকান্ডের সংযােগস্থলে কিছুটা দূরে দূরে ৬-৮ টা।ফাঁপা ও সূত্রাকার কর্ষিকা বৃত্তাকারে সংলগ্ন থাকে। এসব কর্ষিকার মুক্তপ্রান্ত বন্ধ সরু ও ভোঁতা এবং অপরপ্রান্ত দেহগহ্বরে উন্মুক্ত থাকে। কর্ষিকাগুলিও এক্টোডার্ম ও এন্ডােডার্ম নামে দুটো কোষীর স্তর এবং তাদের মধ্যে মেসােগ্লিয়া নামে একটা অকোষীয় স্তর নিয়ে গঠিত। কর্ষিকার মধ্যে কর্ষিকার গহ্বর অবস্থিত।

(ii) মুকুল (Bud): দেহকাণ্ডের সাথে এক বা একাধিক গঠনরত ও পূর্ণাঙ্গ মুকুল সংলগ্ন থাকতে পারে।


কাজঃ মুকুল পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ শিশু হাইড্রায় পরিণত হয়। মুকুল গঠন হাইড্রার স্বাভাবিক অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়া।


(iii) জননাঙ্গ বা গােনাড (Gonad): প্রজনন ঋতুতে পূর্ণাঙ্গ হাইড্রার দেহকান্ডের উপরিভাবে এক বা একাধিক মােচাকৃতি শুক্রাশয় (Testes) এবং দেহকান্ডের নীচের দিকে একটা বা দুটো গােলাকার ডিম্বাশয় (Ovary) থাকতে পারে। এদেরকে গােনাড বলে।


কাজঃ শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয় শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদন করে যৌন প্রজননে অংশ নেয় (এগুলাে অস্থায়ী জননাঙ্গ)।


(iv) বৃন্ত (Stalk): পূর্ণাঙ্গ হাইড্রা দেহকান্ডের নিম্নপ্রান্তে নিরেট, সরু ও সঙ্কোচনশীল বৃন্ত থাকে। কাজঃ বৃন্ত দেহকান্ড এবং পদচাকতিকে সংযুক্ত করে।


গ) পাদচাকতি (Basal disc)


দেহকান্ডের নিম্ন বা পচাৎ প্রান্তে চাকতির মত আকৃতিবিশিষ্ট পাদচাকতি বাপদতল থাকে।


কাজঃ


(১) হাইড্রা এর সাহায্যে কোন তলের সাথে লেগে থাকে।


(২) প্রয়ােজন মত পদচাকতি বিমুক্ত করে হাইড্রা বিভিন্ন ধরনের চলন সম্পন্ন করে।


(৩) পাচাকৃতি থেকে নিঃসৃত বুদবুদ হাইড্রাকে ভাসতে এবং গ্রন্থিকোষ নিঃসৃত পিচ্ছিলরস এমিবয়েড চলনে সাহায্য করে।


হাইড্রার বাহ্যিক সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য  (External identifying characters)


(১) হাইড্রা দ্বিস্তরী প্রাণী


(২) দেহপ্রাচীরের এক্টোডার্মে নিডােব্লাস্ট কোষ থাকে।


(৩) সিলেন্টেরণ নামক দেহগহ্বর একাধারে পরিপাক ও পরিবহনে অংশ নেয়।


(৪) হাইপােস্টোম ও দেহকান্ডের সংযােগস্থল ৬-১০ কর্ষিকা বৃত্তাকারে সংলগ্ন থাকে।

(৫) হাইড্রার দেহের নিম্নপ্রান্তে বৃন্ত (Stalk) ও পাদচাকতি (Basal disc) আছে।


রুই মাছ

Labeo rohita


শ্রেণিবিন্যাস, স্বভাব, বাসস্থান ও গঠন


রুই মাছ বাংলাদেশ তথা এশিয়া অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের একটি সাধারণ মাছ। এদেরকে মেজর কার্প বলা হয়। কার্প জাতীয় মাছ বলতে সেই সমস্ত মাছকে বোঝায় যাদের অন্তঃকঙ্কাল অস্থি দ্বারা তৈরি মস্তক আঁইশবিহীন এবং অতিরিক্ত শ্বসন অঙ্গবিহীন। আমাদের দেশে রুই অর্থাৎ Labeo rohita মাছের চাহিদা অনেক বেশি।


শ্রেণিবিন্যাসগত অবস্থান (Systemic position)

Phylum : Chordata


Subphylum : Vertebrata


Class : Osteichthyes


Subclass : Actinopterygii


Order : Cypriniformes


Family : Cyprinidae


Genus : Labeo


Species : Labeo rohita


রুই মাছের স্বভাব ও বাসস্থান (Habit & Habitat)


স্বাদু পানির জলাশয় বিশেষ করে পুকুর, হ্রদ, নদী, খাল, বিল, হাওর-বাওর প্রভৃতিতে Labeo rohita পাওয়া যায়। রুই মাছ তৃণভোজী স্বভাবের। দুই থেকে তিন বছর বয়সে এরা যৌন পরিপক্কতা লাভ করে। জুন-জুলাই মাসে প্রবাহমান জলাশয়ে এরা ডিম পাড়ে। হালদা নদী রুই মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে গণ্য। বর্তমানে হ্যাচারী বা মৎস্য খামারে প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে রুই মাছের বাণিজ্যিক চাষ করা হয়। রুই মাছ ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মায়ানমার ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।


রুই মাছের বাহ্যিক গঠন


 রুই মাছের দেহ মাকু সদৃশ (Spindle shaped) অর্থাৎ মধ্যভাগ মোটা ও দুই প্রান্ত ক্রমশ সরু, প্রস্থ থেকে উচ্চতা বেশি। চলনের সময় পানির ভিতর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় না বলে এ ধরনের আকৃতিকে স্ট্রিমলাইনড (Streamlined) বলে। দেহের পৃষ্ঠভাগ কালো বর্ণের এবং পার্শ্ব অঙ্কভাগ রূপালি সাদা বর্ণের। পূর্ণাঙ্গ রুই মাছ ১৫-২৫ কেজি ওজন বিশিষ্ট হয়।


রুই মাছের দেহকে মস্তক বা মাথা (Head), ধড় বা দেহকাণ্ড (trunk), লেজ বা পুচ্ছ (tail) এ তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

মাথা (Head): দেহের অগ্রপ্রান্ত হতে কানকুয়ার পশ্চাৎ প্রান্ত পর্যন্ত অংশকে মস্তক বলে। উদর থেকে মস্তকের উপরিভাগ বেশি উত্তল। থুঁতনী (snout) ভোঁতা, নিচু, কদাচিত স্ফীত। মুখ নিচের দিকে অবস্থিত, আড়াআড়িভাবে বিস্তৃত। মুখছিদ্রের পিছনে কোনো পাতা (eye lids) নেই, কর্নিয়া স্বচ্ছ চামড়ার আস্তরণ দ্বারা আবৃত থাকে। মুখের উপরের চোয়ালে একজোড়া খাটো ও সরু বার্বেল অবস্থিত। এদেরকে ম্যাক্সিলারি বার্বেল (maxillary barbel) বলে। এরা সংবেদী অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। মস্তকের প্রতিপার্শ্বে একটা বৃহৎ ফুলকা প্রকোষ্ঠ থাকে। এতে চিরুনীর ন্যায় চারটি ফুলকা থাকে। ফুলকা প্রকোষ্ঠটি কানকুয়া (operculum) নামে পরিচিত। কানকুয়ার নিচের কিনারায় ব্রাঙ্কিওস্টিগাল (branchiostegal) পর্দা ফুলকা প্রকোষ্ঠের বড় ছিদ্রকে ঢেকে রাখে।


দেহকাণ্ড (Trunk): মস্তক ও লেজের মধ্যবর্তী প্রশস্ত অংশটি দেহকাণ্ড। দেহকাণ্ড অস্থিময় সাইক্লয়েড আঁইশ দ্বারা নিবিড়ভাবে আবৃত থাকে। দেহকাণ্ডের উভয় পার্শ্বে একটি করে পার্শ্ব রেখা (Lateral line) দেহের দৈর্ঘ্য বরাবর লেজ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। দেহকাণ্ডের পৃষ্ঠ দিকে একটি পৃষ্ঠ পাখনা (Dorsal fin) পার্শ্বদিকে কানকুয়ার পিছনে একজোড়া বক্ষ পাখনা (pectoral fin), দেহকাণ্ডের মাঝামাঝি একজোড়া শ্রোণি পাখনা (pelvic fin) ও লেজ সংলগড়ব পায়ু পাখনা (anal fin) থাকে।


দেহকাণ্ডের পিছনের দিকে মধ্যঅঙ্কীয় দিকে তিনটি ছোট ছিদ্র পর পর অবস্থান করে থাকে। ছিদ্রগুলো হলো- পায়ুছিদ্র, জননছিদ্র ও রেচনছিদ্র।


লেজ (Tail): রই মাছের পায়ুর পিছনের অংশকে লেজ বলে। লেজকে পরিবৃত্ত করে পুচ্ছ পাখনা (caudal) থাকে। পুচ্ছ পাখনা হোমোসার্কাল (homocercal) প্রকৃতির অর্থাৎ দুটি সমখণ্ডকে বিভক্ত। পুচ্ছ পাখনাই রুই মাছের একমাত্র চলন অঙ্গ।


আঁইশ (Scale): রুই মাছের দেহত্বক অস্থিময় কতগুলো পাত সদৃশ্য গঠন দ্বারা আবৃত থাকে, এদেরকে আঁইশ বলে। রুই মাছের দেহ সাইক্লয়েড আঁইশ (Cycloid scale) দ্বারা আবৃত থাকে। এগুলো সাধারণত গোলাকার ও রূপালী বর্ণের হয়ে থাকে। আঁইশের কেন্দ্রস্থলে ফোকাস রেখা থাকে। আঁইশের কেন্দ্রস্থলকে ফোকাস বলে। আঁইশের কেন্দ্রকে ঘিরে ঘন সন্নিবিষ্ট কতগুলো রেখা থাকে। এগুলোকে সার্কুলি (circuli) বলে। আঁইশে সার্কুলিগুলোর মাঝে গাঢ় বর্ণের বৃদ্ধি রেখা অর্থাৎ অ্যানুলি (একবচনে অ্যানুলাস) থাকে, যেগুলোর সংখ্যা প্রতিবছর একটি করে বৃদ্ধি পেতে থাকে।


এগুলো গণনা করে মাছের বয়স নির্ধারণ করা হয়। রাসায়নিকভাবে আঁইশগুলো চুন ও কোলাজেন তন্তু নিয়ে গঠিত। এরা চলনের সময় পানির বাধা হ্রাস করে। তাছাড়া শ্রেণিবিন্যাস ও বয়স নির্ণয়ে এরা ভূমিকা রাখে।


রুই মাছের খাদ্য ও খাদ্যাভ্যাস


রুই মাছ শাকাশী। এরা সাধারণত জলাশয়ের মধ্যস্তরে খাবার খায়। ছোট অবস্থায় রুই মাছের প্রধান খাদ্য হচ্ছে Zooplankton এবং বয়স্করা Phytoplankton খেয়ে বাঁচে। রুই মাছের মুখ কিছুটা নিচের দিকে নামানো এবং ঠোঁট পুরু থাকার কারণে মাঝে মাঝে এরা পানির তলদেশ থেকে পঁচা জৈব পদার্থ খেয়ে জীবনধারণ করে। এছাড়া ফিসমিল (Fish meal), খৈলের গুঁড়া, কুঁড়া ইত্যাদি পুকুরে চাষের সময় সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বয়স্ক রুই মাছ মাঝে মাঝে কাঁদা ও বালি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

Labels:

Friday, 15 April 2022

কোষ বিভাজন ও জীব প্রযুক্তি টেস্ট পেপার সমাধান ক্লাস । Powerplay Programme HSC-2022


কোষ বিভাজন ও জীব প্রযুক্তি 






Password : biology 

Click here to see the class


কোষ বিভাজন দাগানো পিডিএফ -

Click here
 

জীবপ্রযুক্তি দাগানো পিডিএফ -

 

কোষ বিভাজন


গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন (‘ক’ নং প্রশ্ন) 

 ১. মাইটোসিস কি? 

 উত্তর: যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়ই একবার করে বিভক্ত হয়ে সমান আকৃতির এবং সমগুণসম্পন্ন দুটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টির মাধ্যমে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে থাকে মাইটোসিস বলে। 

 ২. ইন্টারকাইনেসিস কি ? 

 উত্তর: মায়োসিস প্রক্রিয়ায় নিউক্লিয়াসের প্রথম ও দ্বিতীয় বিভিক্তির মধ্যবর্তী স্ময়ই হলো ইন্টারকাইনেসিস। 

 ৩. মেটাকাইনেসিস কি ?

 উত্তর: মাইটোসিসের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়ার নামই মেটাকাইনেসিস।

 ৪. সেন্ট্রোমিয়ার কি ? 

 উত্তর: রঞ্জিত করলে ক্রোমোসোমের যে অংশ রংহীন থাকে তাকেই সেন্ট্রোমিয়ার বলে। 

 ৫. টেট্রাড কি ? 

 উত্তর: প্রতি জোড়া হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের চারটি ক্রোমাটিডকে টেট্রাড বলে। 

 ৬. কোষচক্র কি  ?

 উত্তর: কোষ বিভাজনের সময় প্রস্তুতিমূলক পর্যায় ও বিভাজনের পর্যায়কে একসাথে কোষচক্র বলা হয়।

 ৭. সিস্টার ক্রোমাটিড কি ?

 উত্তর: একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডই সিস্টার ক্রোমাটিড। 

 ৮. কায়াজমা অংশে ক্রোমাটিডগুলোকে জোড়া দেয় কে?

 উত্তর: লাইগেজ কায়াজমা অংশে ক্রোমাটিডগুলো জোড়া দেয়।

 ৯. ক্রসিং ওভার কোথায় হয় ? 

 উত্তর: মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার মিয়োসিস-১ এর প্রোফেজ-১ ধাপের প্যাকাইটিনে ক্রসিং ওভার হয়।

 ১০. মাতৃকোষ সরাসরি বিভাজিত হয়ে কোন প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন করে থাকে ?

 উত্তর: অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষ সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে।


  গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন (‘খ’ নং প্রশ্ন)


 ১. মাইটোসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব লেখ। 

 উত্তর: মাইটোসিস কোষ বিভাজন অনেকভাবে গুরুত্ববহন করে। তারমধ্য থেকে ১০ টি দিক নিচে তুলে ধরা হলো: ক্রোমোজোমের সমতা রক্ষা ক্রমাগত ক্ষয়পূরণ বংশ বৃদ্ধি জননকোষের সংখ্যা বৃদ্ধি নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের ভারসাম্য রক্ষা গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন রক্ষা পুনরুৎপাদন ক্ষতস্থান পূরণ দেহ গঠন 

 
২. সমীকরণিক বিভাজন বলতে কি বুঝ? 

 উত্তর: যে কোষবিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ থেকে সমসংখ্যক ক্রোমোসোম বিশিষ্ট এবং সমগুণ সম্পন্ন দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয় এবং এদের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সমান থাকে তাকে সমীকরণিক বিভাজন বলে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনে এমনটা ঘটার কারণে মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়ে থাকে। 

 ৩. জীবের জন্য কোষ বিভাজন প্রয়োজন কেন? 

 উত্তর: জীবের বংশবৃদ্ধি, দৈহিক বৃদ্ধি, সংখ্যাবৃদ্ধি, যৌন জনন ইত্যাদি কারণে জীবনের জন্য কোষ বিভাজন প্রয়োজন। জননকোষের সংখ্যা বৃদ্ধি, নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের ভারসাম্য রক্ষা, গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা এসবও কোষ বিভাজনের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। 

 ৪. ক্রসিংওভার বলতে কি বুঝ?

 উত্তর: এক জোড়া সমসংস্থ ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে যে অংশের বিনিময় ঘটে তাকে ক্রসিংওভার বলে। মিয়োসিস/মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো ক্রসিংওভার। ক্রসিংওভারের ফলে জীবের জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়, এবং এর ফলে জীবের আচরণগত পরিবর্তন সাধিত হয়।  

 ৫. কায়াজমা বলতে কি বুঝ? বা কায়াজমা কি? 

 উত্তর: দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের X আকৃতির সংযোগস্থলকে কায়াজমা বলে। মিয়োসিস-১ এর প্যাকাইটিন উপপর্যায়ের শেষের দিকে বাইভ্যালেন্টের যেকোনো দুটি নন সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ওই স্থানে যেই X আকৃতির সৃষ্টি হয় তাকে কায়াজমা বলা হয়ে থাকে।   
প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতামূলক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও প্রশ্নের টপিক নিচে দেয়া হলো। 

 ১. মাইটোসিস কোষ বিভাজনের প্রত্যেক ধাপের চিহ্নিত চিত্র অংকন। 

 ২. মায়োসিস কোষ বিভাজনের প্রত্যেক ধাপ এবং উপধাপের চিহ্নিত চিত্র আঁক। 

 ৩. মাইটোসিস ও মিয়োসিসের প্রত্যেক ধাপ সম্পর্কে বর্ণনা। 

 ৪. মেটাফেজ ও অ্যানাফেজের মধ্যে পার্থক্য কি? 

 ৫. কোষচক্রের সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি কোষ বিভাজনে আবশ্যক- ব্যাখ্যা কর।

 ৬. ক্রসিংওভার চিত্রসহ ব্যাখা। 

 ৭. জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে ক্রসিংওভারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

 ৮. অভিব্যক্তি ও বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে মাইটোসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব আলোচনা কর। 

 ৯. Pteris এর জনুক্রমে মাইটোসিস ও মায়োসিস উভয় কোষ বিভাজনই গুরুত্বপূর্ণ- ব্যাখ্যা কর। ১০. মাইটোসিস ও মায়োসিসের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবদেহ গঠিত হয়- বিশ্লেষণ কর। 

জীব প্রযুক্তি

গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন বা 'ক' নং প্রশ্ন 

১. প্লাজমিড কি ? 

ব্যাকটেরিয়া কোষে ক্রোমোসোম বহির্ভূত গোলাকার স্বতন্ত্র DNA-ই প্লাজমিড।

 ২. জিনোম কি ? 

 কোনো জীবের একটি পূর্ণাঙ্গ DNA সেটই হলো জিনোম। 

 ৩. ইনসুলিন কি ?

 ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ হতে নিঃসৃত হরমোন যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রাকে কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। 

 ৪. PCR কি  ? 

Polymerage Chan Reaction হলো একটি চেইন বিক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি জিনের হুবহু কপি করা হয়। 

 ৫. এক্সপ্লান্ট কি ?

 টিস্যু কালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদ থেকে পৃথক করে নেয়া অংশই এক্সপ্লান্ট।

 ৬. ইন্টারফেরন কি ?

 ইন্টারফেরন হলো একধরনের উচ্চ আনবিক ওজন সম্পন্ন প্রোটিন যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও ভাইরাসের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয়। 

 ৭. GMO কি ? 

Genetically Modified Organism হলো এক বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ যা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত DNA স্থানান্তরের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

 ৮. Bt বেগুন কি ? 

Bt বেগুন হলো Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন একটি Genetically Modified বেগুন।

 ৯. রেস্ট্রিকশন এনজাইম কি ? 

যে এনজাইম প্রয়োগ করে DNA অনুর সুনির্দিষ্ট অংশ কাঁটা যায়, তাকেই রেস্ট্রিকশন এনজাইম বলে।

 গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন বা 'খ' নং প্রশ্ন 

১. জিনোম সিকোয়েন্সিং বলতে কি বুঝ ? 

DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্য ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে সাজানো থাকলে তা উদঘাটন করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। আধুনিক বিজ্ঞানের এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জীবিন রহস্য উদঘাটন করেছেন।

 ২. রেস্ট্রিকশন এনজাইম বলতে কি বুঝ ? 

যে এনজাইম প্রয়োগ করে DNA অণুর সুনির্দিষ্ট অংশ কর্তন করা হয়, তাকে রেস্ট্রিকশন এনজাইম বলে। বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এপর্যন্ত ২৫০ ধরনের রেস্ট্রিকশন এনজাইম পৃথক করা হয়েছে। যেমন Eco RI, Hind III ইত্যাদি। 

 ৩. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে কি বুঝ ? 

কোনো জীবকোষ থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA খন্ডাণু পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবকোষের DNA এর সাথে জোড়া দিয়ে তাতে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটানোর কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।

 ৪. নতুন GMO অবমুক্তকরণে জীবনিরাপত্তার নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

 নতুন GMO অবমুক্তকরণে জীবনিরাপত্তার নীতিমালা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি মেনে না চললে, তা জীবের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমনকি পুরো জীবজগতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন বা 'গ' এবং 'ঘ' নং প্রশ্ন 

★ টিস্যুকালচার প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত জাতের উদ্ভাবন। 

★ খাদ্য নিরাপত্তায় টিস্যু কালচার।

 ★ টিস্যু কালচারের গুরুত্ব এবং সচিত্র বর্ণনা 

★ দ্বিনিষেক ও টিস্যুকালচার রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি, ধাপ এবং ব্যবহার DNA ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

Labels: